পাস্তুরাইজেশন পদ্ধতিতে দুধ সংরক্ষণ
পাস্তুরাইজেশন:- বিজ্ঞানী পাস্তুর বর্ণিত যে পদ্ধতিতে উচ্চ তাপমাত্রা প্রয়োগের মাধ্যমে তরল খাদ্যসামগ্রীতে মিশে থাকা অবাঞ্ছিত জীবাণুগুলিকে ধ্বংস করা হয়, তাকে পাস্তুরাইজেশন বলে।
দুধ সংরক্ষণ
দুধ সংরক্ষণের এক গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি হল পাস্তুরাইজেশন।বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই দুধ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতির সাহায্য নেওয়া হয়, এক্ষেত্রে উষ্ণতা এমনভাবে স্থির করা হয় যা রোগ সৃষ্টিকারী বিভিন্ন ধরনের জীবাণু পুরোপুরি ধ্বংস করতে সমর্থ হয়।
উদ্দেশ্য:- দুধের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতির দ্বারা সংরক্ষণের উদ্দেশ্য হলো
i. দুধের মধ্যে মিশে থাকা টিউবারকিউলোসিস টাইফয়েড প্রভৃতি রোগের জীবাণুকে বিনষ্ট করা
ii. দুধের মধ্যে উপস্থিত বেশিরভাগ ল্যাকটিক অ্যাসিড উৎপাদনকারী জীবাণুকে পুরোপুরি ধ্বংস করা
বিশেষত্ব:-
i. পুষ্টিমূল্য অপরিবর্তিত থাকে
ii. জীবাণুমুক্ত হয়
iii. ভিটামিন A ও D অপরিবর্তিত থাকে
iv. ভিটামিন C 20% ও ভিটামিন B complex 10% নষ্ট হয়
পদ্ধতি:- পাস্তুরাইজেশন দ্বারা দুধ সংরক্ষণের জন্য তিনটি পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়ে থাকে
i. Low temperature Holding process (LTH):- এই পদ্ধতিতে দুধকে প্রায় 145° F তাপমাত্রায় 30 মিনিট ধরে উত্তপ্ত করা হয় এরপর ধীরে ধীরে ঠান্ডা করার পর সংরক্ষণ করা হয়।
ii. High temperature short time process(HTST):- এই পদ্ধতিতে দুধকে প্রায় 160°F তাপমাত্রায় 15 সেকেন্ড সেকেন্ড উত্তপ্ত করে, দ্রুত ঠান্ডা করা হয়। এরপর সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয় ঠান্ডা করার সময় অতি দ্রুত তাপমাত্রা 50°F বা তারও কম করা হয়।
iii. ফ্ল্যাশ পদ্ধতি:- এই পদ্ধতিতে প্রায় 167°F উষ্ণতায় দুধ কে উত্তপ্ত করে হঠাৎ ঠান্ডা করা হয়। এরপর সংরক্ষণ করা হয়। দুধ পাস্তুরাইজেশন প্রক্রিয়া জীবানুমুক্ত করার পর তাকে ঠান্ডা স্থানে অথবা রেফ্রিজারেটর এর মধ্যে রেখে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।
tags:
পাস্তুরাইজেশন
দুধ সংরক্ষণ পদ্ধতি
hs nutrition
nutrition food preservation
pasteurization


0 Comments
Please do not enter any spam link in the comment box.