Model Activity Task Class 10 Geography Part 4
Geography Model Activity Task Part 4 Class 10 2021
ভূগোল মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক ক্লাস ১০
দশম শ্রেণী ভূগোল মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক ২০২১
পলল ব্যজনী কেন পর্বতের পাদদেশে সৃষ্টি হয়
হিমবাহের সঞ্চয়কার্যের ফলে গঠিত বিভিন্ন প্রকার গ্রাবরেখা
দশম শ্রেণী ভূগোল
প্র: অবরোহণ প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট একটি ভূমিরূপ হল
ক) গিরিখাত
খ) এস্কার
গ) গিরিখাত
ঘ) স্বাভাবিক বাঁধ
প্র: হিমবাহ ও পর্বতগাত্রের মধ্যে সৃষ্ট সংকীর্ণ ফাঁক হল
ক) ফিয়র্ড
খ) বার্গস্রুন্ড
গ) করি
ঘ) এরিটি
প্র: ঠিক জোড়াটি নির্বাচন করো
ক) লাদাখ - অঙ্গরাজ্য
খ) পুদুচেরি - কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল
গ) আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ - অঙ্গরাজ্য
ঘ) হরিয়ানা - কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল
শূন্যস্থান পূরণ করো:
প্র: বায়ুর _______ প্রক্রিয়ায় বালি ও পলিকণা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অপসারিত হয়।
উ: অবনমন
প্র: ___________ উপত্যকা পীরপাঞ্জাল ও উচ্চ হিমালয় পর্বতশ্রেণী দ্বারা বেষ্টিত।
উ: কাশ্মীর উপত্যকা
প্র: _________ মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে ভারতে শীতকাল প্রায় প্রকৃতির হয়।
উ: উত্তর পূর্ব
নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও:
প্র: পলল ব্যজনী কেন পর্বতের পাদদেশে সৃষ্টি হয়?
উ:- পলল ব্যাজনী হল নদীর সঞ্চয়জাত ভূমিরূপ। পার্বত্য অঞ্চল ছেড়ে নদী হঠাৎ সমভূমিতে প্রবেশ করা মাত্র ভূমির ঢাল কমে যায়। যার ফলে নদীবাহিত পলি, বালি, নুড়ি, পাথর ইত্যাদি পর্বতের পাদদেশে সঞ্চিত হয় এবং শঙ্কু আকৃতির ভূমিরূপ গঠিত হয় যা পলল শঙ্কু নামে পরিচিত। পরবর্তী সময়ে এই পলল শঙ্কুর ওপর দিয়ে নদী বিভিন্ন খাতে প্রবাহিত হলে পলল শঙ্কু অর্ধ গোলাকারে ভাগ হয়ে পড়ে। ফলে পলল শঙ্কু প্রায় হাতপাখার আকৃতি বিশিষ্ট হয়। এই ধরনের ভূমিরূপ পলল ব্যজনী নামে পরিচিত।
উদাহরণ: হিমালয়সহ সকল নবীন ভঙ্গিল পর্বতের পাদদেশে পলল শঙ্কু ও পলল ব্যাজনী দেখা যায়।
![]() |
| চিত্র: পলল ব্যজনী |
প্র: ধাপ চাষ, ফালি চাষ ও সমোন্নতি রেখা বরাবর চাষে মাধ্যমে কিভাবে মৃত্তিকা ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব?
উ:- মৃত্তিকা ক্ষয়: যে বিজ্ঞান সম্মত পদ্ধতির মাধ্যমে মৃত্তিকাকে ক্ষয় ও অবনমনের হাত থেকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে রক্ষা করা যায়, তাকেই বলে মৃত্তিকা সংরক্ষণ।
বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করে মৃত্তিকা সংরক্ষণ করা যায়। সেই বিভিন্ন উপায়ের মধ্যে তিনটি উপায় নিচে আলোচনা করা হল
i. ধাপ চাষ:- পর্বতের ঢালে ধাপ কেটে চাষ করলে জলের গতি হ্রাস পায় যার ফলে মৃত্তিকা ক্ষয় নিয়ন্ত্রিত হয়। ভারতের পাহাড়ি অঞ্চলে পর্বতের গায়ে ধাপ কেটে অর্ধচন্দ্রাকার সমতল জমি তৈরি করে চাষাবাদ করা হয়।
ii. ফালি চাষ:- এই পদ্ধতিতে উদ্ভিদ বিহীন ঢালু অঞ্চলে বৃষ্টির গতি ও মাটি ক্ষয় বেশি হওয়ায় ঢালের আড়াআড়ি চওড়া ফিতের মতো জমি তৈরি করে বিভিন্ন ক্ষয়রোধী শস্য যেমন সিম, ডাল, চিনাবাদাম ইত্যাদি চাষ করলে মৃত্তিকার জলধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং মৃত্তিকা ক্ষয়ও নিয়ন্ত্রণ হয়।
iii. সমোন্নতি রেখা বরাবর চাষ:- সমোন্নতি রেখা বরাবর আল বা বাঁধ দিয়ে কৃষিজমি তৈরি করলে প্রবহমান জলের গতি বাধাপ্রাপ্ত হয় ফলে মৃত্তিকা ক্ষয়ের পরিমাণ কমে।
হিমবাহের সঞ্চয়কার্যের ফলে গঠিত বিভিন্ন প্রকার গ্রাবরেখার সচিত্র বর্ণনা দাও।
গ্রাবরেখা:- হিমবাহের ক্ষয়জাত পদার্থগুলি হিমবাহের সঙ্গে বাহিত হয়ে উপত্যকার হয়ে উপত্যকার বিভিন্ন অংশে সঞ্চিত হয়। এরূপ সঞ্চয়কে গ্রাবরেখা বলে। অবস্থানের ভিত্তিতে গ্রাবরেখা বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে যেমন-
(i) পার্শ্ব গ্রাবরেখা:- হিমবাহ পদার্থকে ঠেলে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় দুইপাশে বিভিন্ন পদার্থ সঞ্চিত হয়ে সৃষ্ট গ্রাবরেখা হল পার্শ্ব গ্রাবরেখা।
(i) মধ্য গ্রাবরেখা:- দুটি হিমবাহ পাশাপাশি প্রবাহিত হলে তাদের মিলন অঞ্চলে যে গ্রাবরেখা সৃষ্টি হয় তাকে মধ্য গ্রাবরেখা বলে।
(iii) প্রান্ত গ্রাবরেখা:- হিমবাহ যেখানে এসে শেষ হয় অর্থাৎ গলে যায় সেখানে পদার্থ সঞ্চিত হয়ে সৃষ্ট গ্রাবরেখা হল প্রান্ত গ্রাবরেখা।
(iv) ভূমি গ্রাবরেখা:- হিমবাহের তলদেশে পদার্থ সঞ্চিত হয়ে সৃষ্ট গ্রাবরেখা হল ভূমি গ্রাবরেখা।
(v) অবিন্যস্ত গ্রাবরেখা:- হিমবাহের অগ্রভাগে ইতস্তত বিক্ষিপ্ত গ্রাবরেখা হল অবিন্যস্ত গ্রাবরেখা
(vi) বলয়ধর্মী গ্রাবরেখা:- বলয়াকারে সঞ্চিত গ্রাবরেখা হল বলয়ধর্মী গ্রাবরেখা
(vii) স্তরায়িত গ্রাবরেখা:- সমুদ্রের তলদেশে সঞ্চিত গ্রাবরেখাকে স্তরায়িত গ্রাবরেখা বলে।
viii. রোজেন গ্রাবরেখা:- গ্রাবরেখা একে অপরের ওপর সঞ্চিত হলে তাকে রোজেন গ্রাবরেখা বলে।
![]() |
| চিত্র: গ্রাবরেখার শ্রেণীবিভাগ |



0 Comments
Please do not enter any spam link in the comment box.